শিরোনাম

‘এলিট স্বপ্ন’ অধরাই থাকল জয়ার

ঊষার বাণী ডেস্ক : ৩০ এপ্রিল, ২০২২

এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এশিয়ায় শীর্ষ পর্যায়ের খেলা পরিচালনার জন্য রেফারিদের এলিট প্যানেল করে। প্রতি দেশের ফিফা রেফারিরা এলিট প্যানেলে প্রবেশের জন্য নানা পরীক্ষা ও আনুষ্ঠানিকতায় অংশগ্রহণ করতে হয়। বাংলাদেশের একমাত্র নারী ফুটবল রেফারি জয়া চাকমা অনেক চেষ্টা করেও নিজের নাম এলিটে লেখাতে পারেননি। সারা দেশে ঈদের আমেজ বইছে। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপিতেও ঈদের ছুটি। কাকডাকা ভোরে আজ শনিবার জয়া এএফসি এলিট প্যানেলের জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলেন। আজকের মধ্যেই এএফসিতে ফলাফল পাঠানোর বাধ্যবাধকতা ছিল।
এলিট প্যানেলের পরীক্ষার অনলাইন ও আগের ধাপগুলো ভালোমতোই উতরে ছিলেন জয়া। আজ ছিল ফিটনেস পর্ব। ফিটনেস পর্বের তিনটি অংশ থাকে। সেই তিন অংশের প্রথম দুটো সংক্ষিপ্ত রানিং ও স্প্রিন্ট। এ দুই অংশে দুর্দান্ত করেছিলেন জয়া। তৃতীয় অংশে গিয়ে আর পারেননি জয়া। শেষ অংশে ছিল চক্কর। এএফসি এলিটে প্রবেশ করতে হলে ৪০০ মিটারের অ্যাথলেটিকস ট্র্যাকে দশটির বেশি চক্কর দিতে হয়৷ সেখানে জয়া ৬টি দিয়ে থেমে গেছেন৷ ফলে এএফসি এলিটে যাওয়ার স্বপ্ন ভঙ্গ হলো তার৷

এই চক্করে একটু ভিন্নতা রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ৭৫ মিটার দৌড় এবং ২৫ মিটার হাঁটা শেষ করতে হবে। এভাবে দশ চক্কর সম্পন্ন করতে হয়। হাঁটা ও দৌড় এই দশ চক্করের মধ্যে একবার নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে বেশি নেয়া যায়। সেক্ষেত্রে ইন্সট্রাক্টররা সতর্ক করেন। দুবার বেশি সময় নিলে সেক্ষেত্রে ডিসকোয়ালিফাইড হয়ে যান পরীক্ষার্থী। গত বছরেও জয়া এএফসি এলিট প্যানেলে যাওয়ার পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তিনি উচ্চ শিক্ষায় ভারত থাকায় বাফুফে বিশেষ ব্যবস্থায় ভারতেই পরীক্ষা নিয়েছিল। গত বছরও তিনি শেষ অংশ উতরাতে পারেননি। এএফসি এলিট প্যানেল জয়ার জন্য স্বপ্নই রয়ে গেলেও আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনায় অবশ্য বাধা নেই। সাফের নারী ফুটবলের টুর্নামেন্টগুলোতে তিনি নিয়মিত বাঁশি বাজান। ফিফা রেফারি হিসেবে আগামীতেও পারবেন৷ দেশের একমাত্র ফিফা নারী রেফারি জয়া চাকমা এএফসি প্যানেলে প্রবেশ করবেন এমন আশা ছিল সবার। জয়াও তার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন৷ টানা দুই বার চেষ্টা করেও সফল না হওয়ায় এএফসি এলিট সাবেক এই জাতীয় ফুটবলারের জন্য স্বপ্নই থেকে গেল। পুরুষ রেফারিদের মধ্যে রেফারি তৈয়ব হাসান দীর্ঘদিন এলিট প্যানেলে ছিলেন। তার অবসরের পর বাংলাদেশের কোনো রেফারি আর এলিটে যেতে পারেননি। সহকারী রেফারি মনির ঢালী গত কয়েক বছর এলিটে আছেন৷ তিনি অবশ্য জুনিয়র পর্যায়ের ম্যাচে পতাকা ধরেন বেশি।

ঊষার বাণী / আরএ / ৩০ এপ্রিল, ২০২২

Ad Widget

Recommended For You

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *